প্রিন্ট এর তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬
মা ইলিশ রক্ষায় জেলেদের মানবিক সহায়তায় চাল বরাদ্দ, বিকল্প সহায়তার দাবি মৎস্যজীবীদের
আল জাবিরী, সম্পাদক ||
প্রজনন মৌসুমে ‘মা ইলিশ’ রক্ষায় সরকার ঘোষিত ২২ দিনের মা ইলিশ সংরক্ষণ নিষেধাজ্ঞা পালনকালে নিবন্ধিত জেলে পরিবারগুলোর খাদ্য সংকট মেটাতে বিশেষ খাদ্য সহায়তার আওতায় ভিজিএফ (VGF) চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে প্রান্তিক জেলেদের দাবি, ২২ দিনের চালের পাশাপাশি সংসারের অন্যান্য খরচ ও পুষ্টি মেটাতে পর্যাপ্ত চালের সঙ্গে বিকল্প কর্মসংস্থান বা নগদ অর্থ সহায়তার ব্যবস্থা করা জরুরি। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ আহরণ বন্ধকালীন দেশের ৩৮টি জেলার ১৬৮টি উপজেলার নিবন্ধিত প্রায় ৬ লাখ ৪৬ হাজার ২৯০টি জেলে পরিবারকে মানবিক সহায়তার আওতায় সরকারি বরাদ্দ নিশ্চিত করা হয়েছে। এর আওতায় মোট ১,৬৫৭ মেট্রিক টন চাল মৎস্যজীবীদের মাঝে বিতরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি কর্তৃপক্ষের দাবি, মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞাকালে জেলেদের সুরক্ষায় সরকার প্রদত্ত এই ধরনের সমন্বিত সুবিধা বিশ্বের খুব কম দেশেই দেখা যায়।এদিকে মাঠ পর্যায়ের জেলে পরিবারগুলোর বক্তব্য অনুযায়ী, সরকারিভাবে দেওয়া চাল সাময়িকভাবে জীবনধারণে সহায়তা করলেও ২২ দিনের দীর্ঘ সময়ে কিস্তি পরিশোধ, চিকিৎসা, জ্বালানি ও তেল-মশলাসহ দৈনন্দিন সংসারের খরচের ভার বহন করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। এতে পরিবার নিয়ে অনেকেই চরম বিপাকে পড়েন। উপকূলীয় ও নদীবেষ্টিত মৎস্যজীবী সংগঠনের নেতারা জানান, মা ইলিশ রক্ষায় দেশের সার্বিক স্বার্থেই জেলেরা নদী থেকে জাল গুটিয়ে রাখেন। তাই শুধু চাল বরাদ্দ না রেখে নিষেধাজ্ঞার সময়ে জেলেদের জন্য পুষ্টিকর অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী, নগদ আর্থিক সহায়তা এবং বিকল্প কর্মসংস্থানের বিশেষ উদ্যোগ নিলে মা ইলিশ রক্ষার লক্ষ্য মাত্রা আরও সফল হবে।
প্রধান সম্পাদক : কাদির নোমান, সম্পাদক : আল জাবিরী, প্রকাশক : আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল