প্রিন্ট এর তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
২৭ বছর ধরে জাল সনদে শিক্ষকতার প্রমাণ: শুরু হচ্ছে ফৌজদারি মামলা ও অর্থ ফেরতের প্রক্রিয়া
||
জাল সনদে দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে চাকরি করার অভিযোগ মাউশির (মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর) তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। সম্প্রতি মাউশি এবং পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) দেশব্যাপী চালানো বিশেষ অভিযানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাল সনদ ব্যবহারকারী এই শিক্ষকসহ শত শত ভুয়া শিক্ষক ও কর্মচারী শনাক্ত হয়েছেন। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাউশির নীতিমালা অনুযায়ী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর চার দফা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রথমত, অভিযুক্ত শিক্ষকের মান্থলি পে-অর্ডার (এমপিও) তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল করে সরকারি কোষাগার থেকে বেতন-ভাতা প্রদান স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হয়েছে। দ্বিতীয়ত, চাকরি জীবনের শুরু থেকে এ পর্যন্ত সরকারি কোষাগার ও অনুদান হিসেবে তুলে নেওয়া সমস্ত বেতন, উৎসব ভাতা এবং অন্যান্য আর্থিক সুযোগ-সুবিধার সমপরিমাণ অর্থ সুনির্দিষ্ট মেয়াদের মধ্যে সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তৃতীয়ত, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি বা অধিদপ্তরকে প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়েরের চূড়ান্ত নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে ভুয়া সনদটি স্থায়ীভাবে বাতিল ও কালো তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মাউশি ও ডিআইএ সূত্রে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় বছরের পর বছর ধরে জাল সনদে চাকরি করা শত শত শিক্ষক-কর্মচারীর তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং তাঁদের সবার বিরুদ্ধে পর্যায়ক্রমে একই ধরনের কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
প্রধান সম্পাদক : কাদির নোমান, সম্পাদক : আল জাবিরী, প্রকাশক : আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল