প্রিন্ট এর তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২০২৭ সালের পাঠ্যবইয়ের মান দেখতে মধ্যরাতে ছাপাখানায় শিক্ষামন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক ||
২০২৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের গুণগত মান ও ছাপা সরাসরি পর্যবেক্ষণ করতে রাজধানীর ছয়টি ছাপাখানায় আকস্মিক পরিদর্শন চালিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১২টার পর তিনি ছাপাখানাগুলোতে পৌঁছান।পরিদর্শনকালে শিক্ষামন্ত্রী বিভিন্ন ক্যাটাগরির বইয়ের নমুনা বের করে কাগজের মান, ছাপার নিখুঁততা এবং সামগ্রিক মান সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) জানিয়েছে, আগামী ১ জানুয়ারি নতুন শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই সব শিক্ষার্থীর হাতে নতুন পাঠ্যবই তুলে দেওয়ার লক্ষ্যে বর্তমানে বই ছাপার কাজ পুরোদমে এগিয়ে চলছে।এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, ইবতেদায়ি, মাধ্যমিক, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ৩০ কোটি ৯২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩৯ কপি বই ছাপানোর বিশাল কর্মযজ্ঞ চলছে। এর মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিকে ৮ কোটি ২১ লাখের বেশি, ইবতেদায়িতে ৩ কোটি ৩২ লাখের বেশি এবং ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণিতে প্রায় ১৮ কোটি কপি বই ছাপা হবে। একই সাথে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ৯ হাজার ৪ কপি বিশেষ ব্রেইল বইও প্রস্তুত করা হচ্ছে। এই সামগ্রিক বই ছাপাতে সরকারের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৮৯০ কোটি ১৬ লাখ ৩৯ হাজার ৩২৮ টাকা।উল্লেখ্য, ২০২৭ সালের পাঠ্যক্রমের বইয়ে কিছু নতুন বিষয় যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে চতুর্থ শ্রেণিতে ‘খেলাধুলা’ ও ‘আমাদের সংস্কৃতি’ এবং ষষ্ঠ শ্রেণিতে ‘আনন্দময় শিক্ষা’ ও ‘কারিগরি শিক্ষা’ নতুন পাঠ্যবই হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকছে। এনসিটিবি আশ্বস্ত করেছে যে নির্ধারিত সময়সীমার আগেই দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এসব নতুন ও সংশোধিত বই পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করা হবে।
প্রধান সম্পাদক : কাদির নোমান, সম্পাদক : আল জাবিরী, প্রকাশক : আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল