প্রিন্ট এর তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৫.২ ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল বাজার ধরতে স্বতন্ত্র কর্তৃপক্ষের দাবি বিসিআইয়ের
ইয়াসরির মাহবুব, স্টাফ রিপোর্টার ||
আন্তর্জাতিক বাজারে ৫.২ ট্রিলিয়ন ডলারের বিশাল হালাল বাণিজ্য সম্ভাবনা কাজে লাগাতে 'বাংলাদেশ হালাল ডেভেলপমেন্ট অথরিটি' নামে একটি স্বতন্ত্র সংস্থা গঠনের জোরালো দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই)। বুধবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিসিআই সভাপতি আনোয়ার-উল আলম পারভেজ এই প্রস্তাবনার কথা জানান। সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে তৈরি কর্মপরিকল্পনা ও সুপারিশমালা প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেছে সংগঠনটি।বর্তমানে বিশ্ব হালাল বাজারে বাংলাদেশের অবদান মাত্র ০.০৫ শতাংশ (প্রায় ৯৪০ মিলিয়ন ডলার)। বিসিআই জানায়, বিশ্বজুড়ে ২০২৬ সালের মধ্যে হালাল পণ্যের বাজার ৫.২ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে এবং ২০৩৪ সাল নাগাদ তা ৯.৪৫ ট্রিলিয়ন ডলারে দাঁড়াতে পারে। বিশ্ববাজারের অন্তত ৫ শতাংশ অংশীদারিত্ব অর্জন করতে পারলে বাংলাদেশে পোশাক খাতের পর হালাল পণ্যই অন্যতম প্রধান রপ্তানি খাত হতে পারে।বর্তমানে বাংলাদেশে ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও বিএসটিআই পৃথকভাবে হালাল সনদ প্রদান করলেও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একক কর্তৃপক্ষের অভাব রয়েছে। বিশ্ববাজারে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হালাল সনদপত্র, নিজস্ব অনুমোদিত পরীক্ষাগার (ল্যাবরেটরি) এবং প্রধান প্রধান মুসলিম ও অমুসলিম দেশের সঙ্গে ‘পারস্পরিক স্বীকৃতি চুক্তি’ (Mutual Recognition Agreement) না থাকায় প্রাণ, বেঙ্গল মিট, আকিজ ও স্কয়ারের মতো বিশ্ববাজারে রপ্তানিকারক দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। সনদ প্রদানের বিচ্ছিন্ন ব্যবস্থার কারণে বাড়তি খরচ ও কালক্ষেপণের শিকার হচ্ছেন উদ্যোক্তারা।বিসিআই-এর নীতিমালায় একটি জাতীয় হালাল নীতিমালা প্রণয়ন, আন্তর্জাতিক মেলার আয়োজন, আলাদা ‘হালাল এইচএস কোড’ চালু এবং হালাল খাতে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ থেকে ১৫ বছরের দীর্ঘমেয়াদি নীতি সহায়তা ও প্রণোদনা প্রদানের জোরালো প্রস্তাব করা হয়েছে।
প্রধান সম্পাদক : কাদির নোমান, সম্পাদক : আল জাবিরী, প্রকাশক : আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল