প্রিন্ট এর তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬
কুয়েতে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি ধ্বংসের দাবি ইরানের
শামিমা লিয়া, আন্তর্জাতিক ডেস্ক এডিটর ||
মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার সামরিক সংঘাত এক নতুন ও বিপজ্জনক মোড় নিয়েছে। কুয়েতে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে অত্যাধুনিক ‘হিমার্স’ (HIMARS) ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার সম্পূর্ণ ধ্বংস করার দাবি করেছে ইরান। সোমবার সকালে ইরানের এলিট ফোর্স ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এক জরুরি বিবৃতিতে এই হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছে। তারা জানিয়েছে, পূর্বঘোষিত ‘প্রতিশোধমূলক অভিযানের চতুর্থ ধাপে’ এই বিশেষ সামরিক অভিযান চালানো হয়। আইআরজিসি-র পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন বাহিনীর একটি ‘ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য’ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিকে নিশানা করে এই নিখুঁত হামলা চালানো হয়। হামলায় মার্কিন বাহিনীর দুটি অত্যাধুনিক ‘হিমার্স’ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপক যন্ত্র সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়েছে এবং লঞ্চার সংলগ্ন একটি বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র বোঝাই গুদামেও ভয়াবহ আগুন ধরে তা ভস্মীভূত হয়। ইরানের দাবি, ধ্বংস হওয়া এই মার্কিন লঞ্চারগুলো থেকে ইরানি ভূখণ্ডে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মার্কিনীদের সেই পরিকল্পনা নস্যাৎ করতেই এই আগাম ও প্রতিরোধমূলক হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি তেহরানের। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার বরাতে জানা গেছে, এই হামলার পর কুয়েত ও আশপাশের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তবে এই ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে এখনো ওয়াশিংটন বা মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এই ঘটনার পর সমগ্র পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও তীব্র আকার ধারণ করার আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক সামরিক বিশ্লেষকরা।
প্রধান সম্পাদক : কাদির নোমান, সম্পাদক : আল জাবিরী, প্রকাশক : আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল