প্রিন্ট এর তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
অ্যালার্জিজনিত হাঁচি থেকে মুক্তি: ঘরেই মিলবে প্রাকৃতিক সমাধান
ইয়াসরির মাহবুব, স্টাফ রিপোর্টার ||
ঋতু পরিবর্তন ও গরমের তীব্রতায় ধুলাবালি, পরাগরেণু কিংবা অ্যালার্জির প্রভাবে অনেকেরই হাঁচির সমস্যা প্রকট হয়ে ওঠে। দিনে দু-একবার হাঁচি স্বাভাবিক হলেও, এটি দীর্ঘস্থায়ী হলে দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়। অস্বস্তিকর এই পরিস্থিতি থেকে দ্রুত আরাম পেতে অনুসরণ করতে পারেন কার্যকরী কিছু ঘরোয়া উপায়।
গরম পানির ভাপ ও সেঁক: ঘন ঘন হাঁচি, নাক বন্ধ থাকা কিংবা নাক দিয়ে পানি পড়ার সমস্যায় গরম পানির ভাপ অত্যন্ত কার্যকর। এটি নাকের ভেতরে জমে থাকা শ্লেষ্মা নরম করে শ্বাসপ্রক্রিয়া সহজ করে। এছাড়া গরম পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে হালকা সেঁক নিলে সাইনাসের চাপ ও অস্বস্তি থেকে দ্রুত আরাম পাওয়া যায়।
ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ খাবার: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে এবং শরীরের প্রদাহ কমাতে ভিটামিন সি অপরিহার্য। নিয়মিত খাদ্যতালিকায় লেবু, কমলা, পেয়ারা ও আমলকীর মতো ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ খাবার রাখুন।
আদা ও মধুর মিশ্রণ: আদার প্রদাহরোধী উপাদান গলা ও নাকের অস্বস্তি দূর করে। হালকা গরম পানিতে সামান্য আদা ও মধু মিশিয়ে পান করলে হাঁচি ও সর্দির উপশম ঘটে।
পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ: শরীরে পানিশূন্যতা থাকলে নাক ও গলার ভেতরের অংশ শুকিয়ে যায়, যা হাঁচির সমস্যা বাড়াতে পারে। তাই পর্যাপ্ত পানি পান করুন। পাশাপাশি ডাবের পানি, পাতলা স্যুপ কিংবা গরম ভেষজ চা পান করা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
বিশ্রাম ও ঘুম: ক্লান্তি ও ঘুমের অভাব শরীরকে দুর্বল করে দেয়, যার ফলে অ্যালার্জি বা সংক্রমণের প্রভাব দ্রুত বাড়তে পারে। নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
জিঙ্ক সেবন: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে জিঙ্ক সহায়ক ভূমিকা পালন করে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী জিঙ্ক সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করলে সর্দি ও হাঁচির প্রকোপ হ্রাস পেতে পারে।
ঘরোয়া উপায়ে আরাম না মিললে বা হাঁচির পাশাপাশি তীব্র জ্বর, শ্বাসকষ্ট ও দীর্ঘস্থায়ী অ্যালার্জির উপসর্গ থাকলে অবহেলা না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
প্রধান সম্পাদক : কাদির নোমান, সম্পাদক : আল জাবিরী, প্রকাশক : আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল