প্রিন্ট এর তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
তুরস্কের সহায়তায় বগুড়ায় হচ্ছে ড্রোন কারখানা
ইয়াসরির মাহবুব, স্টাফ রিপোর্টার ||
দেশের সামগ্রিক প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে তুরস্কের কারিগরি ও কৌশলগত সহযোগিতায় বগুড়ায় একটি আধুনিক ড্রোন উৎপাদন কারখানা স্থাপনের বড় উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বগুড়ায় নির্মাণাধীন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পাশেই এই উচ্চপ্রযুক্তির কারখানাটি গড়ে তোলা হবে। একই সঙ্গে উত্তরাঞ্চলে দেশের প্রথম বিমানবাহিনীর বিমানঘাঁটি স্থাপনের কাজও দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত ‘বিএসআরএফ সংলাপ’-এ অংশ নিয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এই তথ্য জানান।প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন যে, তুরস্কের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে বগুড়া বিমানঘাঁটির পাশে এই ড্রোন উৎপাদন কারখানাটি নির্মাণ করা হবে। এটি দেশের সামরিক ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।তিনি আরও জানান, দেশের উত্তরাঞ্চলে এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক মানের কোনো বিমানবন্দর নেই। এই অভাব দূর করতে এবং অর্থনৈতিক ও কৌশলগত যোগাযোগ বাড়াতে বর্তমান সরকার বগুড়া বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার কাজ হাতে নিয়েছে। এই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ঠিক পাশেই ড্রোন তৈরির কারখানাটি স্থাপন করা হবে, যা দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়নে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে।সংলাপে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে বলেন, দেশের উত্তরাঞ্চলকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রথম পূর্ণাঙ্গ বিমানঘাঁটি স্থাপনের প্রশাসনিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর বহরে যেসব অত্যাধুনিক নতুন যুদ্ধবিমান যুক্ত হবে, সেগুলো কৌশলগত কারণেই এই নতুন ঘাঁটিতে মোতায়েন করা হবে।প্রসঙ্গগত, পাকিস্তান আমলে নির্মিত বগুড়া বিমানবন্দরটি দীর্ঘদিন ধরে অভ্যন্তরীণ ও সীমিত পরিসরে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। বিভিন্ন সময়ে এটিকে আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দরে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা আলোর মুখ দেখেনি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমমেও এই বিমানবন্দরটি নিয়ে নানা পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তবে রাজনৈতিক ও নানাবিধ কারণে প্রকল্পটি তখন আর এগোয়নি। বর্তমান সরকার সেই স্থবিরতা কাটিয়ে প্রকল্পটিকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে যাচ্ছে।বিএসআরএফ সভাপতি মাসুদুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বিশেষ সংলাপটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল্লাহ বাদল। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সিনিয়র সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান সম্পাদক : কাদির নোমান, সম্পাদক : আল জাবিরী, প্রকাশক : আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল