প্রিন্ট এর তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬
আর্জেন্টিনার ম্যাচে বাতিল গোল ঘিরে তীব্র বিতর্ক
মোঃ রফিকুল ইসলাম , স্টাফ রিপোর্টার ||
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে মিসরের বাতিল হওয়া একটি গোলকে কেন্দ্র করে ফুটবল অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে ভিএআরের সিদ্ধান্ত। ম্যাচের ৬৮তম মিনিটে মোস্তফা জিকোর গোলটি ফাউলের অভিযোগে বাতিল করা হলে সাবেক ফুটবলার ও বিশ্লেষকদের একাংশ রেফারিংয়ের ধারাবাহিকতা এবং ভিএআরের ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।ম্যাচের ওই আক্রমণের শুরুতে ডান প্রান্তে আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেজের কাছ থেকে বল দখল করেন মিসরের মিডফিল্ডার মারওয়ান আত্তিয়া। এ সময় তিনি মার্তিনেজের জার্সি টেনে ধরেন এবং তাঁর পায়ের ওপর পা রাখেন। তবে ঘটনাটি ফাউল ছিল কি না, তা নিয়েই শুরু হয় বিতর্ক। পরে ভিএআরের পরামর্শে রেফারি ফাউলের সিদ্ধান্ত দিয়ে মোস্তফা জিকোর গোলটি বাতিল করেন।লিভারপুলের সাবেক ডিফেন্ডার জেমি ক্যারাঘার এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে বলেন, একই ঘটনা অন্য কোনো দলের বিপক্ষে ঘটলে গোলটি বহাল থাকত। তাঁর মতে, প্রিমিয়ার লিগ, লা লিগা কিংবা সিরি আ'র মতো শীর্ষ লিগে এমন পরিস্থিতিতে ভিএআর পর্যালোচনার পরও গোল বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা ছিল না। টুর্নামেন্টের শেষ দিকে এসে রেফারিংয়ে ধারাবাহিকতার অভাব স্পষ্ট বলে মন্তব্য করেন তিনি। এদিকে ইংল্যান্ড ও নিউক্যাসলের কিংবদন্তি অ্যালান শিয়ারারও একই ধরনের প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বিবিসির প্রতিবেদক ডেল জনসনের একটি পোস্ট পুনঃশেয়ার করে সমর্থন জানান। জনসনের মতে, টুর্নামেন্টজুড়ে যেভাবে রেফারিং করা হয়েছে, সেই মানদণ্ডের সঙ্গে মিসরের বাতিল হওয়া গোলের সিদ্ধান্তের কোনো মিল নেই। সামান্য শারীরিক সংস্পর্শে ফাউল না দিয়ে পরে জার্সি টানার ঘটনাকে ভিত্তি করে ভিএআরের মাধ্যমে গোল বাতিল করাকে তিনি অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।
জনসনের বক্তব্য সমর্থন করে শিয়ারার লেখেন, হয় দুটি ঘটনাই ফাউল হিসেবে বিবেচিত হবে, নয়তো কোনোটি নয়। অথচ আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, মাঠের রেফারির সিদ্ধান্ত অযথা পুনর্মূল্যায়ন করা হবে না। এই ঘটনার পর সেই প্রতিশ্রুতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
প্রধান সম্পাদক : কাদির নোমান, সম্পাদক : আল জাবিরী, প্রকাশক : আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল