প্রিন্ট এর তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬
হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬৮ হাজার বাংলাদেশি
নিজস্ব প্রতিবেদক ||
পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা সফলভাবে সম্পন্ন করে নির্বিঘ্নে দেশে ফিরতে শুরু করেছেন বাংলাদেশি হাজিরা। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার পর্যন্ত সৌদি আরব থেকে মোট ১৮৮টি ফিরতি ফ্লাইটে ৬৮ হাজার ২৯৭ জন হাজি বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে করে তারা ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ দেশের অন্যান্য বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান। ফিরে আসা হাজিদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৪৫৯ জন এবং বেসরকারি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে এসেছেন ৬৩ হাজার ৮৩৮ জন।শনিবার (২৭ জুন) প্রকাশিত হজ বুলেটিনের সর্বশেষ পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়, হাজিদের ফিরিয়ে আনতে এখন পর্যন্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ১০২টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনস ৬৩টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ২৩টি ফিরতি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশের ফ্লাইটে ৩১ হাজার ৯৮১ জন, সৌদিয়ার ফ্লাইটে ২৩ flag১৪৯ জন, ফ্লাইনাসের ফ্লাইটে ৮ হাজার ৯৬৭ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের বিশেষ ফ্লাইটের মাধ্যমে ৪ হাজার ২০০ জন হাজি দেশে ফিরেছেন। হজ অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাকি হাজিরাও তাদের নির্ধারিত এয়ারলাইনসের টিকিট অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে দেশে ফিরে আসবেন।এ বছর পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ৫৫ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী ইন্তেকাল করেছেন। এর মধ্যে মক্কায় সর্বোচ্চ ৩৭ জন, মদিনায় ১৭ জন এবং জেদ্দায় একজন মৃত্যুবরণ করেন। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, মিনা বা মুজদালিফায় এবার কোনো বাংলাদেশি হাজির মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। এছাড়া হজের সময় অসুস্থ হয়ে পড়া ৪১৫ জন বাংলাদেশি হাজি সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন, যার মধ্যে ১১ জন এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অন্যদিকে সৌদি মেডিক্যাল সেন্টারগুলো ৬৭ হাজার ৮৬ জন হাজিকে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করেছে এবং মক্কা ও মদিনার আইটি হেল্প ডেস্ক থেকে ২৮ হাজার ৪০৫ জন হাজিকে বিভিন্ন তথ্য ও দিকনির্দেশনা দিয়ে সহায়তা করা হয়েছে।গত ১৮ এপ্রিল প্রথম বহির্গামী ফ্লাইটের মাধ্যমে চলতি বছরের হজ পরিবহন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছিল এবং ২১ মে প্রাক-হজ ফ্লাইট সম্পন্ন হয়। এরপর ২৬ মে সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়। হজের যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৩০ মে থেকে হাজিদের নিয়ে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়, যা আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত চলমান থাকবে। হজ অফিসের তথ্যমতে, ২০২৬ সালে বাংলাদেশের জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জনসহ মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রীর কোটা বরাদ্দ ছিল। সেই লক্ষ্যমাত্রার সিংহভাগ হাজিই ইতিমধ্যে সুস্থ শরীরে দেশে ফিরে এসেছেন।
প্রধান সম্পাদক : কাদির নোমান, সম্পাদক : আল জাবিরী, প্রকাশক : আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল