প্রিন্ট এর তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
উচ্চশিক্ষার নামে বেকারত্ব বাড়ানো যাবে না: শিক্ষামন্ত্রী
আকাশ মোল্লা, স্টাফ রিপোর্টার ||
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন দেশের সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেছেন যে, কেবল উচ্চশিক্ষার সার্টিফিকেট দিয়ে বেকারত্বের সংখ্যা বাড়িয়ে কোনো লাভ নেই। বরং বর্তমান সময়ের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য। তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন, গতানুগতিক ধারার শিক্ষার বাইরে গিয়ে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রসার ঘটাতে সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে, যাতে প্রতিটি শিক্ষার্থী কর্মসংস্থানের উপযোগী হয়ে বের হতে পারে।শুক্রবার সকালে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত রোটারি বাংলাদেশের একটি প্রশিক্ষণ সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী জানান, শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করার অংশ হিসেবে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই কারিগরি শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শিক্ষাজীবনের শুরু থেকেই হাতে-কলমে কাজ শেখার সুযোগ পাবে এবং ভবিষ্যতে আত্মকর্মসংস্থানে আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবে।শিক্ষার মান উন্নয়নের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের কেবল পুঁথিগত বিদ্যার ওপর নির্ভর না করে তাদের এমনভাবে প্রস্তুত করতে হবে যাতে তারা বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে নেতৃত্ব দিতে পারে। বর্তমান সরকার সেই লক্ষ্য সামনে রেখেই পাঠ্যক্রম ও শিক্ষানীতিতে ব্যাপক সংস্কার আনছে। মন্ত্রী আরও বলেন, পরীক্ষা পদ্ধতিতে স্বচ্ছতা আনতে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। তিনি জানান, পাবলিক পরীক্ষা আইনে ডিজিটাল কারচুপির বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান সংযুক্ত করা হয়েছে। কেউ যদি পরীক্ষার ফলাফল কিংবা মেধাতালিকা পরিবর্তনের মতো অনৈতিক কাজে লিপ্ত হয়, তবে তাকে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ডসহ মোটা অঙ্কের জরিমানার মুখোমুখি হতে হবে। মেধাবীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং ডিজিটাল জালিয়াতি রোধে এ ধরনের আইনি পদক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রধান সম্পাদক : কাদির নোমান, সম্পাদক : আল জাবিরী, প্রকাশক : আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল