প্রিন্ট এর তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
ইসরায়েলকে মার্কিন সমর্থনের কথা স্মরণ করিয়ে দিলেন ট্রাম্প
শামিমা লিয়া, আন্তর্জাতিক ডেস্ক এডিটর ||
ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক কূটনৈতিক সমঝোতা এবং মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কড়া সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমসের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানগুলো এই শান্তি প্রক্রিয়াকে প্রায় ধ্বংসই করে দিয়েছিল। নেতানিয়াহুর মনোভাবের প্রসঙ্গ টেনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে বেশ জটিল স্বভাবের মানুষ। ট্রাম্পের দাবি, এই চুক্তির জন্য নেতানিয়াহুর যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত, কারণ ইরানের কাছে যদি পারমাণবিক শক্তি অর্জিত হতো, তবে ইসরাইলের টিকে থাকা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ত।ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘদিনের এই বিরোধের সমাধানে ট্রাম্প নিজের কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি হুশিয়ারি দিয়েছেন যে, তেহরান যদি চুক্তির শর্তাবলী মেনে একটি চূড়ান্ত সমাধানে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়, তবে ইরানের ওপর পুনরায় সামরিক হামলা চালানো হতে পারে। ট্রাম্পের ভাষ্যমতে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের চালানো ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও বোমা হামলার আঘাতেই মূলত তেহরান আলোচনায় বসতে বাধ্য হয়েছে। তিনি মনে করেন, ইরানি নেতৃত্ব তৃতীয়বারের মতো বড় ধরনের হামলার ঝুঁকি নিতে চায়নি, কারণ তারা নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখাকেই এই মুহূর্তে প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে দেখছে।সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারবার জোর দিয়ে বলেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা এবং চূড়ান্ত হামলা চালানোর সক্ষমতাই ইরানকে এই চুক্তিতে সম্মত হতে বাধ্য করেছে। তার দাবি, ইরানকে আলোচনার টেবিলে আনার ক্ষেত্রে সামরিক চাপ বিশাল প্রভাব ফেলেছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এই সমঝোতা যেমন মধ্যপ্রাচ্যে নতুন মেরুকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে, তেমনি ট্রাম্পের এই মন্তব্য প্রকাশ করে যে, শান্তি প্রতিষ্ঠার এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় সামরিক শক্তির প্রয়োগকে তিনি একটি অপরিহার্য কৌশল হিসেবে দেখছেন।সূত্র: আল জাজিরা
প্রধান সম্পাদক : কাদির নোমান, সম্পাদক : আল জাবিরী, প্রকাশক : আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল