সাতক্ষীরা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের নারী কেলেঙ্কারির ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে পদত্যাগ করেছেন শ্যামনগরের যুব জামায়াত নেতা দেলোয়ার হোসেন। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই ২০২৬) সন্ধ্যায় তিনি দুধ দিয়ে গোসল করে আনুষ্ঠানিকভাবে দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করেন।
দেলোয়ার হোসেন শ্যামনগর উপজেলার নুরনগর ইউনিয়নের হরিণাগাড়ী গ্রামের মুনসুর সরদারের ছেলে। তিনি সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বায়তুল মাল সম্পাদক ও যুব বিভাগের সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিও বার্তায় দেলোয়ার হোসেন জানান, এমপি গাজী নজরুল ইসলামের নৈতিক স্খলনজনিত অপকর্মের প্রতিবাদেই তিনি দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করেন যে, ভবিষ্যতে তিনি আর কোনো ধরনের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হবেন না এবং কোনো রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করবেন না। এই প্রতিজ্ঞার অংশ হিসেবেই তিনি দুধ দিয়ে গোসল করেছেন।
বিষয়টি নিয়ে নুরনগর ইউনিয়নের স্থানীয় ওয়ার্ড জামায়াতের আমীর আব্দুর রাজ্জাক জানান, দেলোয়ার হোসেন এখনো লিখিতভাবে কোনো অব্যাহতিপত্র জমা দেননি। তবে তিনি দুধ দিয়ে গোসল করে দল না করার বিষয়টি শুনেছেন এবং দেলোয়ারকে দলের একজন ভালো কর্মী হিসেবে উল্লেখ করেন।

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের নারী কেলেঙ্কারির ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে পদত্যাগ করেছেন শ্যামনগরের যুব জামায়াত নেতা দেলোয়ার হোসেন। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই ২০২৬) সন্ধ্যায় তিনি দুধ দিয়ে গোসল করে আনুষ্ঠানিকভাবে দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করেন।
দেলোয়ার হোসেন শ্যামনগর উপজেলার নুরনগর ইউনিয়নের হরিণাগাড়ী গ্রামের মুনসুর সরদারের ছেলে। তিনি সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বায়তুল মাল সম্পাদক ও যুব বিভাগের সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিও বার্তায় দেলোয়ার হোসেন জানান, এমপি গাজী নজরুল ইসলামের নৈতিক স্খলনজনিত অপকর্মের প্রতিবাদেই তিনি দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করেন যে, ভবিষ্যতে তিনি আর কোনো ধরনের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হবেন না এবং কোনো রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করবেন না। এই প্রতিজ্ঞার অংশ হিসেবেই তিনি দুধ দিয়ে গোসল করেছেন।
বিষয়টি নিয়ে নুরনগর ইউনিয়নের স্থানীয় ওয়ার্ড জামায়াতের আমীর আব্দুর রাজ্জাক জানান, দেলোয়ার হোসেন এখনো লিখিতভাবে কোনো অব্যাহতিপত্র জমা দেননি। তবে তিনি দুধ দিয়ে গোসল করে দল না করার বিষয়টি শুনেছেন এবং দেলোয়ারকে দলের একজন ভালো কর্মী হিসেবে উল্লেখ করেন।

আপনার মতামত লিখুন